ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা এবং মিশরের মাঝে অবস্থিত রাফাহ সীমান্ত দিয়ে অবশেষে ঢুকেছে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর সহায়তা সামগ্রী। রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং এর গাজার প্রান্তে ছোট ছোট ট্রাকে করে সেগুলো গাজা উপত্যকায় পৌঁছানো হবে। খবর বিবিসি।
গাজায় বিবিসির সাংবাদিক জানান যে, সহায়তার মধ্যে শুধুমাত্র চিকিৎসা সামগ্রী এবং খাবার থাকলেও নেই জীবন রক্ষাকারী পানি এবং গাজাবাসির এই মূহুর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় জ্বালানি। তিনি আরও জানান, সকাল থেকেই সীমান্তের গাজার প্রান্তে মিসর থেকে আসা মানবিক সাহায্য লোড করতে ছোট ছোট খালি ট্রাক অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে তাদের বেশ কয়েকটি ত্রাণবাহী ট্রাককে গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, এবং আরও কয়েকটি সীমান্তের মিশরীয় দিকে অপেক্ষা করছে।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে যে, তাদের দেয়া মানবিক সাহায্যের মধ্যে ১২০০ জনের জন্য ট্রমা ওষুধ এবং সরবরাহ, ২৩৫ জন পর্যন্ত আহত ব্যক্তিদের অন-দ্য-স্পটে স্থিতিশীল করার জন্য বহনযোগ্য ট্রমা ব্যাগ, দেড় হাজার মানুষের জন্য দীর্ঘস্থায়ী রোগের ওষুধ ও চিকিৎসা এবং তিন মাসের জন্য তিন লাখ মানুষের জন্য প্রাথমিক প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্বাস্থ্য সরবরাহ রয়েছে।”
এদিকে গাজাতে মানবিক সাহায্য সরবরাহ বন্ধ না করতে আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব জেমস ক্লিভারলি। তিনি বলেন, যে গাজায় জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা বিতরণ বন্ধ হতে পারে না।
বিবিসির সাংবাদিক জানায় যে শনিবার রাফাহ সীমান্ত দিয়ে আগের নির্ধারিত মোট ২০টি ত্রাণবাহী গাড়ি প্রবেশ করেছে। এসব গাড়ির মধ্যে একটিতে কফিন বোঝাই ছিল এবং বাকিগুলোতে খাবার ও চিকিৎসা সামগ্রী ছিলো।
তবে ইসরায়েল পুনরায় জানিয়েছে যে গাজায় মানবিক সাহায্য ও পানি প্রবেশ করতে দেয়া হলেও জ্বালানি প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। যদিও অবরুদ্ধ এই অঞ্চলটিতে পানি সরবরাহ ও হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত পাওয়ার জেনারেটরগুলিতে জ্বালানী প্রয়োজন।
