কুষ্টিয়ায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার এবং মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মামুনুর রহমান মামুন (৪০) নামের এক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে কমপক্ষে আরো ৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাদেরকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার গোস্বামী দূর্গাপুর ইউনিয়নের আশাননগর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামুন গোস্বামী দূর্গাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়াডের সদস্য এবং আশাননগর গ্রামের হাবিল মেম্বারের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি মামুন রহমান জানান, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ওহাব গ্রুপের সঙ্গে হাবিল গ্রুপের বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি এলাকার একটি মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়। এরই জের ধরে শনিবার সকালে ওহাব গ্রুপের লোকজন হাবিল মেম্বারের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এসময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে হাবিল গ্রুপের লোকজন পিছু হটলে প্রতিপক্ষরা ইউপি সদস্য মামুন এবং তার বাবা হাবিল মেম্বারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে এবং টেটাবিদ্ধ করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে সেখানকার চিকিৎসক মামুনকে মৃত ঘোষণা করেন। হাবিল মেম্বারের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এদিকে, ওহাব গ্রুপের লোকজন কয়েকটি বাড়িতে লুটপাট করে আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
