ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে ৫০ দেশকে ইরানের চিঠি - জনবার্তা
ঢাকা, শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে ৫০ দেশকে ইরানের চিঠি

জনবার্তা প্রতিবেদন
নভেম্বর ২১, ২০২৩ ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নৃশংসতা বন্ধ করতে বাধ্য করার প্রয়াসে সব দেশকে ইসরায়েলের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।

সোমবার (২০ নভেম্বর) রাশিয়া, চীন, তুরস্ক, কাজাখস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, কেনিয়া ও জর্ডানসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই আহ্বান জানান রাইসি।

সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা প্রেস টিভি।

চিঠিতে তিনি বলেন, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের পাশবিকতা বন্ধ করতে তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার বিকল্প নেই।

এছাড়া সমস্ত মুক্ত ও স্বাধীন দেশকে ইসরায়েলের সাথে বাণিজ্য ও রাজনৈতিক সহযোগিতা এবং যোগাযোগ বন্ধ করে, দেশটির উপর চাপ সৃষ্টি করতে এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সরকারের অপরাধ বন্ধে আরও বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করার জন্য আহ্বান জানান।

গত ৪৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার হাজার হাজার মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর জন্য ইসরায়েলের তীব্র নিন্দা জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট।

ইসরায়েলের এই অপরাধযজ্ঞে প্রকাশ্য সমর্থন দেওয়ার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোরও কঠোর সমালোচনা করে রাইসি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো মানবাধিকার ও নৈতিকতার ব্যাপারে যে দ্বৈত নীতি গ্রহণ করেছে গাজা যুদ্ধ তার প্রমাণ।

ইব্রাহিম রাইসি বলেন, বিশ্বের স্বাধীনতাকামী এবং স্বাধীন দেশগুলো বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলো যদি সুসংহত এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকসহ সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে তাহলে গাজাবাসী নারী ও শিশুসহ নিরপরাধ বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের হত্যায় লাগাম টানা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিও রোববার মুসলিম দেশগুলোকে “অন্তত সীমিত সময়ের জন্য” ইসরায়েলি সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েল বাহিনীর নির্বিচার বোমাবর্ষণে এ পর্যন্ত অন্তত ১৩ হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।